স্ত্রি পরকীয়া করছে কি না জেনে নিন।
স্ত্রীকে_পরকীয়া_থেকে_বাঁচানোর_কিছু_উপায়।
.
১) আচরণঃ স্ত্রীর সাথে ভালো আচরণ করুন। ছোট-খাটো ভুল ভ্রান্তির জন্য বকাঝকা করা থেকে বিরত থাকুন।
আমাদের সমাজের এক শ্রেণীর স্বামীরা আছেন যারা ছোট খাটো ভুল ভ্রান্তির জন্য স্ত্রীকে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ করে।
এতে স্ত্রীর মন থেকে আস্তে আস্তে স্বামীর প্রতি ভালোবাসা একেবারেই উঠে যায়।
.
২) মারধরঃ আমাদের সমাজে একদল নির্লজ্জ পুরুষ আছে যারা কথায় কথায় স্ত্রীর গায়ে হাত তুলে। স্ত্রীকে নির্মমভাবে প্রহার করে।
যা ইসলাম ও দেশের আইন কোনো ভাবেই সমর্থন করে না। তাই স্ত্রী কোন ভুল করলে আপনি মারধর না করে সংশোধন করে দিন।
ভালোবাসার সাথে বুঝিয়ে দিন। কারণ দিন শেষে তো আপনাকে তার সাথেই রাত কাটাতে হবে। তার হাতের রান্নাই আপনাকে খেতে হবে। তাকেই দিয়েই আপনার যৌন বাসনা পূরণ করতে হবে।
.
৩) যৌন আচরণঃ আপনার যৌন আচরণকে গুরুত্ব দিন। স্ত্রীর যৌন চাহিদার প্রতি খেয়াল করে বিশেষ গুরুত্ব দিন।
তার যৌন চাহিদা ও পরিতৃপ্তির প্রতি লক্ষ্য রাখুন। বাংলাদেশের অধিকাংশ নারীদের অভিযোগ তাদের স্বামী তাদের যৌন ইচ্ছা ও চাহিদার প্রতি গুরুত্ব দেয় না।
.
এই ধরণের স্বামীরা নিজেদের যৌন চাহিদা মিটিয়ে সরে পড়ে। যার ফলে স্ত্রীর মনে দেখা দেয় অসন্তুষ্টি। তাই নিজের যৌন চাহিদা পূরণ করতে পরকীয়াকে বেঁছে নেয়।
.
৪) ঘুরাফেরাঃ সময় সুযোগ পেলে আপনার স্ত্রীকে কোথাও ঘুরতে অথবা বেড়াতে নিয়ে যান। নারীরা এটি বেশ উপভোগ করে।
সারাদিন চার দেয়ালের ভিতরে বসে থাকতে
আপনারও নিশ্চয় ভালো লাগবে না?
.
৫) উপহারঃ মাঝে মধ্যে আপনার স্ত্রীকে উপহার সামগ্রী কিনে দিন। হোক সেটা কম মূল্যের। কিনে দিতে পারেন একটি গোলাপ ফুলও। নারীরা এতে বেশ আনন্দিত হয়।
.
৬) সাজ-সজ্জাঃ নারীরা যেভাবে সেজেগুজে পরিপাটি হয়ে থাকতে পছন্দ করে সেই তুলনায় পুরুষেরা পিছিয়ে।
সাজ-সজ্জা নারীদের কাজ, এটা না ভেবে আপনার স্ত্রীর জন্য আপনিও সাজ সজ্জা করুন।
আপনার স্ত্রীর সেজে থাকলে আপনার যেমন ভালো লাগে, আপনি সেজে থাকলে আপনার স্ত্রীর কাছেও ভালো লাগবে।
.
৭) পরিস্কার পরিচ্ছন্নতাঃ সব সময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে চেষ্টা করুণ। ঘামের দুর্গন্ধ, লজ্জাস্থান সহ শরীরের অন্যান্য অংশের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিন।
আপনার অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা তাদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।হয়তো লজ্জায় নাও বলতে পারে।
.
৮) মুখের দুর্গন্ধঃ আপনার মুখের দুর্গন্ধের দিকে নজর দিন। পুরুষদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা ধূমপানে আসক্ত।
আপনার এই আসক্তি থাকলে স্ত্রীর কাছে ঘেষার পূর্বে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে নিন।
নারীদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা আতরের ঘ্রাণই সহ্য করতে পারে না। তাহলে ভাবুন বিড়ি সিগারেটের কটু গন্ধ তাদের মনে কিরকম বিরূপ প্রভাব ফেলে?
.
৯) যোগাযোগঃ কাজের তাগিদে বাহিরে অবস্থান করলেও স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করুণ। দূরে থাকলে কাজের মাঝে স্ত্রীর সাথে মোবাইলের মাধ্যমে কথা বলুন।
গল্প গুজব করুন। এতে স্ত্রীর একাকিত্বভাব দূর হবে। আপনি দূরে থাকলেও সে আপনার সংস্পর্শে থাকে। আপনার ভালোবাসা ও তার প্রতি আপনার আগ্রহ প্রকাশ পাবে।
.
১০) ধর্ম ও নৈতিকতার শিক্ষাঃ
আপনার স্ত্রীকে ধর্মীয় শিক্ষা দিন। দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে,স্বামী স্ত্রীর দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে ধর্মীয় জ্ঞান লাভ করতে পারেন সেরকম ভালো মানের বই পুস্তক কিনে দিন।
আপনার স্ত্রী আপনার হালাল বিনোদনের সেরা মাধ্যম। আপনার জান্নাত লাভের সহযোগী। তাই আপনার দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে তার চাহিদা গুলো পূরণ করা।
.
বিঃদ্রঃ সংসারের সুখ শান্তি হাসি আনন্দ বজায় রাখতে আপনার ভূমিকা অপরিসীম। টাকা সংসারে স্বচ্ছলতা এনে দিতে পারে কিন্তু শান্তি নয়। তাই শান্তির জন্য শান্তির পথে আসুন। মনে রাখবেন, আদর-ভালবাসা দিয়ে যা হয় গায়ের জোরে তা কিন্তু কোনদিনও হয় না!
.
১) আচরণঃ স্ত্রীর সাথে ভালো আচরণ করুন। ছোট-খাটো ভুল ভ্রান্তির জন্য বকাঝকা করা থেকে বিরত থাকুন।
আমাদের সমাজের এক শ্রেণীর স্বামীরা আছেন যারা ছোট খাটো ভুল ভ্রান্তির জন্য স্ত্রীকে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ করে।
এতে স্ত্রীর মন থেকে আস্তে আস্তে স্বামীর প্রতি ভালোবাসা একেবারেই উঠে যায়।
.
২) মারধরঃ আমাদের সমাজে একদল নির্লজ্জ পুরুষ আছে যারা কথায় কথায় স্ত্রীর গায়ে হাত তুলে। স্ত্রীকে নির্মমভাবে প্রহার করে।
যা ইসলাম ও দেশের আইন কোনো ভাবেই সমর্থন করে না। তাই স্ত্রী কোন ভুল করলে আপনি মারধর না করে সংশোধন করে দিন।
ভালোবাসার সাথে বুঝিয়ে দিন। কারণ দিন শেষে তো আপনাকে তার সাথেই রাত কাটাতে হবে। তার হাতের রান্নাই আপনাকে খেতে হবে। তাকেই দিয়েই আপনার যৌন বাসনা পূরণ করতে হবে।
.
৩) যৌন আচরণঃ আপনার যৌন আচরণকে গুরুত্ব দিন। স্ত্রীর যৌন চাহিদার প্রতি খেয়াল করে বিশেষ গুরুত্ব দিন।
তার যৌন চাহিদা ও পরিতৃপ্তির প্রতি লক্ষ্য রাখুন। বাংলাদেশের অধিকাংশ নারীদের অভিযোগ তাদের স্বামী তাদের যৌন ইচ্ছা ও চাহিদার প্রতি গুরুত্ব দেয় না।
.
এই ধরণের স্বামীরা নিজেদের যৌন চাহিদা মিটিয়ে সরে পড়ে। যার ফলে স্ত্রীর মনে দেখা দেয় অসন্তুষ্টি। তাই নিজের যৌন চাহিদা পূরণ করতে পরকীয়াকে বেঁছে নেয়।
.
৪) ঘুরাফেরাঃ সময় সুযোগ পেলে আপনার স্ত্রীকে কোথাও ঘুরতে অথবা বেড়াতে নিয়ে যান। নারীরা এটি বেশ উপভোগ করে।
সারাদিন চার দেয়ালের ভিতরে বসে থাকতে
আপনারও নিশ্চয় ভালো লাগবে না?
.
৫) উপহারঃ মাঝে মধ্যে আপনার স্ত্রীকে উপহার সামগ্রী কিনে দিন। হোক সেটা কম মূল্যের। কিনে দিতে পারেন একটি গোলাপ ফুলও। নারীরা এতে বেশ আনন্দিত হয়।
.
৬) সাজ-সজ্জাঃ নারীরা যেভাবে সেজেগুজে পরিপাটি হয়ে থাকতে পছন্দ করে সেই তুলনায় পুরুষেরা পিছিয়ে।
সাজ-সজ্জা নারীদের কাজ, এটা না ভেবে আপনার স্ত্রীর জন্য আপনিও সাজ সজ্জা করুন।
আপনার স্ত্রীর সেজে থাকলে আপনার যেমন ভালো লাগে, আপনি সেজে থাকলে আপনার স্ত্রীর কাছেও ভালো লাগবে।
.
৭) পরিস্কার পরিচ্ছন্নতাঃ সব সময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে চেষ্টা করুণ। ঘামের দুর্গন্ধ, লজ্জাস্থান সহ শরীরের অন্যান্য অংশের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিন।
আপনার অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা তাদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।হয়তো লজ্জায় নাও বলতে পারে।
.
৮) মুখের দুর্গন্ধঃ আপনার মুখের দুর্গন্ধের দিকে নজর দিন। পুরুষদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা ধূমপানে আসক্ত।
আপনার এই আসক্তি থাকলে স্ত্রীর কাছে ঘেষার পূর্বে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে নিন।
নারীদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা আতরের ঘ্রাণই সহ্য করতে পারে না। তাহলে ভাবুন বিড়ি সিগারেটের কটু গন্ধ তাদের মনে কিরকম বিরূপ প্রভাব ফেলে?
.
৯) যোগাযোগঃ কাজের তাগিদে বাহিরে অবস্থান করলেও স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করুণ। দূরে থাকলে কাজের মাঝে স্ত্রীর সাথে মোবাইলের মাধ্যমে কথা বলুন।
গল্প গুজব করুন। এতে স্ত্রীর একাকিত্বভাব দূর হবে। আপনি দূরে থাকলেও সে আপনার সংস্পর্শে থাকে। আপনার ভালোবাসা ও তার প্রতি আপনার আগ্রহ প্রকাশ পাবে।
.
১০) ধর্ম ও নৈতিকতার শিক্ষাঃ
আপনার স্ত্রীকে ধর্মীয় শিক্ষা দিন। দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে,স্বামী স্ত্রীর দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে ধর্মীয় জ্ঞান লাভ করতে পারেন সেরকম ভালো মানের বই পুস্তক কিনে দিন।
আপনার স্ত্রী আপনার হালাল বিনোদনের সেরা মাধ্যম। আপনার জান্নাত লাভের সহযোগী। তাই আপনার দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে তার চাহিদা গুলো পূরণ করা।
.
বিঃদ্রঃ সংসারের সুখ শান্তি হাসি আনন্দ বজায় রাখতে আপনার ভূমিকা অপরিসীম। টাকা সংসারে স্বচ্ছলতা এনে দিতে পারে কিন্তু শান্তি নয়। তাই শান্তির জন্য শান্তির পথে আসুন। মনে রাখবেন, আদর-ভালবাসা দিয়ে যা হয় গায়ের জোরে তা কিন্তু কোনদিনও হয় না!
