সপ্নদোষ কেনো হয়,এবং এর সমাধান এর উপায় কি?
ঘুম থেকে উঠে একটি ছেলে যখন দেখে তার লুঙ্গি বা প্যান্টের কিছু অংশ ভেজা তখন সে বড় চিন্তায় পড়ে যায় কি ব্যাপার? লুঙ্গি ভেজা কেন? ছোটবেলায় বিছানায় পেশাব করেছে কি না, মনে নেই। এখন তো বিছানায় পেশাব করার প্রশ্নই আসেনা, যেহেতু এখন বয়স তার ১৪/১৫ বছর! তবে লুঙ্গি ভিজলো ক্যামনে!
আসলে তো সে পেশাব করেনি, সে তো বালেগ জীবনে পদার্পণ করেছে! তার স্বপ্নদোষ হয়েছে! আর এটা জীবনে এই প্রথম তাই বুঝতে পারচ্ছে না যে আসলে এটা কি? আমাদের পরিবার বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে (স্কুল,কলেজ) এব্যাপারে কোন আলোচনাই নাই, তাই ছেলেরা জীবনের প্রথম অবস্থায় এব্যাপারে প্রায় অজ্ঞই থাকে। যদিও আস্তে আস্তে সে জানতে পারে।
একটা মেয়েও ঠিক তেমনি, ৯/১০ বছর বয়সে যখন প্রথম পিরিয়ডের সম্মুখীন হয় তখন বড় নাজুক অবস্থার মাঝে পড়ে! কাকে এটা বলবে? এটাকে লজ্জার বিষয় মনে করে প্রথম প্রথম কাউকে বলে না। তবে আস্তে আস্তে এটা তার আয়ত্তে চলে আসে। সেও এখন বালেগা!
ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা বুঝের সব ব্যাপারে বেশ পটুই হয়। যেহেতু ছেলেদের অনেক আগেই মেয়েদের অনেক ব্যাপারে দায়িত্বশীলা হতে হয়। আর এমনটাই আল্লাহ্'র নিয়ম।
এবার ছেলে-মেয়ে বালেগ ও বালেগা হয়ে গেলো! বালেগ-বালেগা হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা একে অন্যের প্রতি আকৃষ্ট ছিলো না। বিশেষ করে মেয়েরা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রায় মোটেও আকৃষ্ট থাকে না। তবে প্রায় ছেলেরা কিছুটা হলেও বুঝে যে, মেয়েদের প্রতি কিছুটা হলেও আকর্ষণ আছে। তবে বালেগ-বালেগা হওয়ার পর এই আকর্ষণ খুব দ্রুত বাড়তে থাকে।
এবার একে-অন্যকে পছন্দ করা শুরু! ছেলের বয়স যখন ১৭/১৮ তখন থেকেই! ঐ দিকে মেয়ের বয়স যখন ১৪/১৫ তখন থেকে মেয়েও তার পছন্দের মানুষ বাছাইয়ে পিছিয়ে নেই।
এবার, আমাদের সমাজে যেটা চালু আছে সেটা হলো, মেয়েরা প্রেম করুক আর না করুক বয়স ১৮/১৯ হলে মা-বাপ বা অভিবাবকের এক রকম মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে যায় মেয়েকে সুপাত্রে হস্তান্তর করতে। এটা খারাপ না বরং এটা উত্তম এবং ইসলামও বলে মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত হলে দ্বীনদার, ভালো ছেলে দেখে বিয়ে দেয়া।
কিন্তু, ছেলে?! ছেলের বিয়ের বয়স আমাদের সমাজ ৩৫/৩৬ কেই নির্ধারণ করে রেখেছে! মেয়ে ৯/১০ বছর বয়সে বালেগা হলো, ১৫/১৬ তে বিপরীত লিঙ্গের আকর্ষণ পুরোপুরি বুঝতে শিখলো আর তার বিয়ের ব্যবস্থা হলো ১৮/১৯ বছর বয়সে...। আর ছেলে অনেক ক্ষেত্রে বালেগ হওয়ার আগেই বুঝে মেয়ে তার বিপরীত লিঙ্গ! স্বপ্নদোষ তাকে মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট করলো ১৪/১৫ বছর বয়সেই! ১৮/১৯ বছর বয়স হতেই মেয়েদের সাথে চ্যাটিং, ফোনে কথা বলা, মেয়েদের সাথে প্রেম, মেয়েদের নিয়ে ঘুরে ভেড়ানো, মেয়েদের পিছনে টাকা খরচ করা শুরু করে! আর একটার পিছনে না তো!কদিন পর পর বদল হয়! কারণ, মেয়েদের বিয়ের বয়স হয়ে যায়, তাদের বিয়ে হয়ে যায়, কিন্তু ছেলের বিয়ের বয়স তো ৩৫/৩৬ বছর বয়স! এদিকে ছেলের তো বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণের একটা রাগ আছে, এটা মেটানোর প্রয়োজনেই বৈধ বা অবৈধ পন্থায় একটা বিপরীত লিঙ্গ থাকা চাই!
আর ছেলের এই আকর্ষণের রাগ বিভিন্ন পন্থায় মিটে, হয়তো মেয়ের সাথে কথা বলার দ্বারা! হয়তো মেয়ের সাথে চ্যাট করার দ্বারা! হয়তো মেয়ের সাথে দেখা করার দ্বারা! হয়তো মেয়ের সাথে প্রেম করার দ্বারা! হয়তো মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করার দ্বারা! হয়তো মেয়েকে নিয়ে কল্পনায় ভাবনার দ্বারা! হয়তো মেয়েকে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখার দ্বারা! হয়তো মেয়েকে নিয়ে বেড়ানোর দ্বারা! হয়তো মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্কের দ্বারা!
আর এরকম প্রত্যকেটিই গুনাহের কাজ! এমন গুনাহে লিপ্ত হওয়ার দ্বারা ছেলে চরিত্রহীন হতে থাকে, ছেলে ইভটিজার হতে থাকে, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, পরিবারে অশান্তি আসে, পরস্পর সম্পর্ক নষ্ট হয়, ছেলের জীবনের বরকত চলে যায়। আর এই গুনাহের ভাগি মা-বাবাও হন।
ছেলে ২৪/২৫ বছর বয়সে পরিবারকে বুঝিয়েছে, তার বিপরীত লিঙ্গের প্রয়োজন কিন্তু পরিবার তখনও তাকে প্রায় না বালেগের দলে ফেলে তার বিয়ের বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়েছে! হ্যাঁ, পরিবারেরও যুক্তি ছিলো... যে তুমি এখনো প্রতিষ্ঠিত হওনি, বিয়ে করে বউ খাওয়াবে কি করে? প্রতিষ্ঠিত হও, বয়স ৩০/৩৫ হোক, সময় হলেই বিয়ে দেবো। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বিয়ের বয়স ধরে হিসেব করলে এই ১৭ বছর ছেলে তার বিপরীত লিঙ্গের আকর্ষণে নিজেকে কতটুকু ঠিক রাখতে পারবে?
কিন্তু ইসলাম বিয়ের জন্য ছেলের প্রতিষ্ঠিত হওয়াকে বাধ্যতামূলক করেনি, হ্যাঁ, ইসলাম বলেছে ছেলে সামর্থ্যবান হলে বিয়ের ব্যবস্থা করতে। বর্তমান দুনিয়ায় ছেলের ঈমান-আ'মাল রক্ষার খাতিরে প্রয়োজনে বাকিসব বাদ দিয়ে তার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ব্যবস্থা করে তাকে বিয়ে দেয়াই শ্রেয়। যেহেতু দুনিয়া ঈমান-আ'মাল মজবুত ও রক্ষার জায়গা।
যেসব ছেলের বয়স ৩৬/৩৮/৪০ হয়ে গেছে তারপরও বিয়ের কথা মুখে আনে না বা বিয়ে দরকার এটা বুঝায়ও না, বুঝে নিতে হবে এই ছেলের পুরুষত্ব নেই অথবা সে এমন পথ অবলম্বন করা শিখে ফেলেছে যে পথে হাঁটলে তার বিপরীত লিঙ্গের চাহিদা পুরা হয়ে যায়। আর এমন ছেলেদের মনে আখেরাতে জবাবদিহিতার কোন চিন্তাই নেই..!
বিয়ের উপযুক্ত ছেলে নির্বাচনে মেয়ের মা-বাপ, অভিবাবকের মারাত্মক ভুল আছে। সম্পদ, টাকা-পয়সার কমতিতে মেয়ের মা-বাপের কাছে অনেক যোগ্য ছেলে অযোগ্য হয়ে যায়। আজকাল পাত্র দ্বীন মোতাবেক নয় বরং দুনিয়া মোতাবেক নির্বাচন হয় বলে এমন সমস্যা...। যা সকলের উপরই সকলে জুলুম করছে। এসব বিষয় নিয়ে কোন মা-বাপ বা অভিবাবক ভাববেন? ভাববেন তো সেই অভিবাবক যে অভিবাবক সামান্য হলেও এব্যাপারে দ্বীনের বুঝ রাখেন |
আসলে তো সে পেশাব করেনি, সে তো বালেগ জীবনে পদার্পণ করেছে! তার স্বপ্নদোষ হয়েছে! আর এটা জীবনে এই প্রথম তাই বুঝতে পারচ্ছে না যে আসলে এটা কি? আমাদের পরিবার বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে (স্কুল,কলেজ) এব্যাপারে কোন আলোচনাই নাই, তাই ছেলেরা জীবনের প্রথম অবস্থায় এব্যাপারে প্রায় অজ্ঞই থাকে। যদিও আস্তে আস্তে সে জানতে পারে।
একটা মেয়েও ঠিক তেমনি, ৯/১০ বছর বয়সে যখন প্রথম পিরিয়ডের সম্মুখীন হয় তখন বড় নাজুক অবস্থার মাঝে পড়ে! কাকে এটা বলবে? এটাকে লজ্জার বিষয় মনে করে প্রথম প্রথম কাউকে বলে না। তবে আস্তে আস্তে এটা তার আয়ত্তে চলে আসে। সেও এখন বালেগা!
ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা বুঝের সব ব্যাপারে বেশ পটুই হয়। যেহেতু ছেলেদের অনেক আগেই মেয়েদের অনেক ব্যাপারে দায়িত্বশীলা হতে হয়। আর এমনটাই আল্লাহ্'র নিয়ম।
এবার ছেলে-মেয়ে বালেগ ও বালেগা হয়ে গেলো! বালেগ-বালেগা হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা একে অন্যের প্রতি আকৃষ্ট ছিলো না। বিশেষ করে মেয়েরা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রায় মোটেও আকৃষ্ট থাকে না। তবে প্রায় ছেলেরা কিছুটা হলেও বুঝে যে, মেয়েদের প্রতি কিছুটা হলেও আকর্ষণ আছে। তবে বালেগ-বালেগা হওয়ার পর এই আকর্ষণ খুব দ্রুত বাড়তে থাকে।
এবার একে-অন্যকে পছন্দ করা শুরু! ছেলের বয়স যখন ১৭/১৮ তখন থেকেই! ঐ দিকে মেয়ের বয়স যখন ১৪/১৫ তখন থেকে মেয়েও তার পছন্দের মানুষ বাছাইয়ে পিছিয়ে নেই।
এবার, আমাদের সমাজে যেটা চালু আছে সেটা হলো, মেয়েরা প্রেম করুক আর না করুক বয়স ১৮/১৯ হলে মা-বাপ বা অভিবাবকের এক রকম মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে যায় মেয়েকে সুপাত্রে হস্তান্তর করতে। এটা খারাপ না বরং এটা উত্তম এবং ইসলামও বলে মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত হলে দ্বীনদার, ভালো ছেলে দেখে বিয়ে দেয়া।
কিন্তু, ছেলে?! ছেলের বিয়ের বয়স আমাদের সমাজ ৩৫/৩৬ কেই নির্ধারণ করে রেখেছে! মেয়ে ৯/১০ বছর বয়সে বালেগা হলো, ১৫/১৬ তে বিপরীত লিঙ্গের আকর্ষণ পুরোপুরি বুঝতে শিখলো আর তার বিয়ের ব্যবস্থা হলো ১৮/১৯ বছর বয়সে...। আর ছেলে অনেক ক্ষেত্রে বালেগ হওয়ার আগেই বুঝে মেয়ে তার বিপরীত লিঙ্গ! স্বপ্নদোষ তাকে মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট করলো ১৪/১৫ বছর বয়সেই! ১৮/১৯ বছর বয়স হতেই মেয়েদের সাথে চ্যাটিং, ফোনে কথা বলা, মেয়েদের সাথে প্রেম, মেয়েদের নিয়ে ঘুরে ভেড়ানো, মেয়েদের পিছনে টাকা খরচ করা শুরু করে! আর একটার পিছনে না তো!কদিন পর পর বদল হয়! কারণ, মেয়েদের বিয়ের বয়স হয়ে যায়, তাদের বিয়ে হয়ে যায়, কিন্তু ছেলের বিয়ের বয়স তো ৩৫/৩৬ বছর বয়স! এদিকে ছেলের তো বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণের একটা রাগ আছে, এটা মেটানোর প্রয়োজনেই বৈধ বা অবৈধ পন্থায় একটা বিপরীত লিঙ্গ থাকা চাই!
আর ছেলের এই আকর্ষণের রাগ বিভিন্ন পন্থায় মিটে, হয়তো মেয়ের সাথে কথা বলার দ্বারা! হয়তো মেয়ের সাথে চ্যাট করার দ্বারা! হয়তো মেয়ের সাথে দেখা করার দ্বারা! হয়তো মেয়ের সাথে প্রেম করার দ্বারা! হয়তো মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করার দ্বারা! হয়তো মেয়েকে নিয়ে কল্পনায় ভাবনার দ্বারা! হয়তো মেয়েকে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখার দ্বারা! হয়তো মেয়েকে নিয়ে বেড়ানোর দ্বারা! হয়তো মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্কের দ্বারা!
আর এরকম প্রত্যকেটিই গুনাহের কাজ! এমন গুনাহে লিপ্ত হওয়ার দ্বারা ছেলে চরিত্রহীন হতে থাকে, ছেলে ইভটিজার হতে থাকে, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, পরিবারে অশান্তি আসে, পরস্পর সম্পর্ক নষ্ট হয়, ছেলের জীবনের বরকত চলে যায়। আর এই গুনাহের ভাগি মা-বাবাও হন।
ছেলে ২৪/২৫ বছর বয়সে পরিবারকে বুঝিয়েছে, তার বিপরীত লিঙ্গের প্রয়োজন কিন্তু পরিবার তখনও তাকে প্রায় না বালেগের দলে ফেলে তার বিয়ের বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়েছে! হ্যাঁ, পরিবারেরও যুক্তি ছিলো... যে তুমি এখনো প্রতিষ্ঠিত হওনি, বিয়ে করে বউ খাওয়াবে কি করে? প্রতিষ্ঠিত হও, বয়স ৩০/৩৫ হোক, সময় হলেই বিয়ে দেবো। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বিয়ের বয়স ধরে হিসেব করলে এই ১৭ বছর ছেলে তার বিপরীত লিঙ্গের আকর্ষণে নিজেকে কতটুকু ঠিক রাখতে পারবে?
কিন্তু ইসলাম বিয়ের জন্য ছেলের প্রতিষ্ঠিত হওয়াকে বাধ্যতামূলক করেনি, হ্যাঁ, ইসলাম বলেছে ছেলে সামর্থ্যবান হলে বিয়ের ব্যবস্থা করতে। বর্তমান দুনিয়ায় ছেলের ঈমান-আ'মাল রক্ষার খাতিরে প্রয়োজনে বাকিসব বাদ দিয়ে তার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ব্যবস্থা করে তাকে বিয়ে দেয়াই শ্রেয়। যেহেতু দুনিয়া ঈমান-আ'মাল মজবুত ও রক্ষার জায়গা।
যেসব ছেলের বয়স ৩৬/৩৮/৪০ হয়ে গেছে তারপরও বিয়ের কথা মুখে আনে না বা বিয়ে দরকার এটা বুঝায়ও না, বুঝে নিতে হবে এই ছেলের পুরুষত্ব নেই অথবা সে এমন পথ অবলম্বন করা শিখে ফেলেছে যে পথে হাঁটলে তার বিপরীত লিঙ্গের চাহিদা পুরা হয়ে যায়। আর এমন ছেলেদের মনে আখেরাতে জবাবদিহিতার কোন চিন্তাই নেই..!
বিয়ের উপযুক্ত ছেলে নির্বাচনে মেয়ের মা-বাপ, অভিবাবকের মারাত্মক ভুল আছে। সম্পদ, টাকা-পয়সার কমতিতে মেয়ের মা-বাপের কাছে অনেক যোগ্য ছেলে অযোগ্য হয়ে যায়। আজকাল পাত্র দ্বীন মোতাবেক নয় বরং দুনিয়া মোতাবেক নির্বাচন হয় বলে এমন সমস্যা...। যা সকলের উপরই সকলে জুলুম করছে। এসব বিষয় নিয়ে কোন মা-বাপ বা অভিবাবক ভাববেন? ভাববেন তো সেই অভিবাবক যে অভিবাবক সামান্য হলেও এব্যাপারে দ্বীনের বুঝ রাখেন |
